
সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা সম্পর্কে বুর্জোয়া বুদ্ধিজীবীরা এমন একটি ধারণার সৃষ্টি করতে চান যে রামমোহন সংবাদপত্রের স্বাধীনতার জন্য “সিংহের” মত লড়াই করেছিলেন। এ-সব কথাবার্তার সঙ্গে বাস্তবের কোন মিল খুঁজে পাওয়া যায় না।
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সম্ভব?
জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে বিশ্বের স্বাধীন দেশেও কি সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা স্বীকার করা হয়? পুঁজিবাদীরা “সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা” এই কথাটা প্রচার করে থাকে সংবাদ পত্রের প্রকৃত স্বাধীনতাকে হরণ করার মতলবে। এই শব্দগুলির দ্বারা তারা লুকিয়ে রাখতে চায় তাদের আসল উদ্দেশ্য। কোন শ্রেণীবিভক্ত সমাজে “সংবাদপত্রের স্বাধীনতা” স্বীকার করা সম্ভব হয় না। একটা পর্য্যায়ে এই স্বাধীনতা দমন করার প্রয়োজন হয়ে ওঠে শাসক শ্রেণীর স্বার্থে। যতক্ষণ শাসক শ্রেণীর স্বার্থে আঁচড় কাটে না বা তাদের গায়ে হাত পড়ে না ততক্ষণ সংবাদ পত্রগুলি ‘স্বাধীনতা’ পেয়ে থাকে। কিন্তু যে মুহূর্তে সংবাদ পত্রের কোনো আচরণে তাদের স্বার্থ বিপন্ন হয় সেই মুহূর্তেই তার ‘স্বাধীনতা’ খর্ব করা হয়।




