‘হিউম্যানিস্ট’ পণ্ডিত বিদ্যাসাগর

dr ishwar chandra vidyasagar

…পণ্ডিত অনেকে ছিলেন, কিন্তু এই “হিউম্যানিস্ট” ব্যক্তিত্ব সকলের ছিল না। বিদ্যাসাগরের ছিল এবং এত বেশি পরিমাণে ছিল যে তাঁর পাণ্ডিত্য তাঁর ব্যক্তিত্বের দ্বারাই পরিচালিত হয়েছে। হয়েছে বলেই বিদ্যাসাগরের মতন পণ্ডিত ‘বর্ণপরিচয়’ ‘বোধোদয়’ ‘উপক্রমণিকা’ ইত্যাদি লিখেছেন। পাঠ্যপুস্তক রচনাতেই তাঁর সাহিত্য জীবনের অধিকাংশ সময় অতিবাহিত হয়েছে। অনেকের কাছে এটা রহস্যই বটে! বহু দুর্বোধ্য রচনার পসরা সাজিয়ে যিনি তাঁর পাণ্ডিত্য জাহির করে সকলকে চমৎকৃত করতে পারতেন, তিনি লিখলেন ‘বর্ণপরিচয়’, ‘বোধোদয়’। এ-রহস্য অনাবৃত করা সম্ভব নয়, তাঁর পাণ্ডিত্যের ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য না বুঝলে। সেই বৈশিষ্ট্য হল, তাঁর পাণ্ডিত্য কেবল পণ্ডিতের পাণ্ডিত্য নয়, ‘হিউম্যানিস্টের’ পাণ্ডিত্য। এখন প্রশ্ন হল, হিউম্যানিস্ট বিদ্যার ও পাণ্ডিত্যের বৈশিষ্ট্য কী?

হিউম্যানিস্ট পণ্ডিত কাকে বলা হয়?

এই প্রসঙ্গে ইয়োরোপীয় রেনেসাঁসের কয়েকটি ঐতিহাসিক বিশেষত্ব সম্বন্ধে কিছু বলা প্রয়োজন। ‘হিউম্যানিজম’ মূলত:  রেনেসাঁসের জীবনদর্শন। তার দার্শনিক অর্থ প্রত্যক্ষভাবে মানবপ্রেম বা মানবতাবোধ নয়, যদিও পরোক্ষভাবে তাই। মানবপ্রধান বা মানবকেন্দ্রিক চিন্তাই হল তার ঐতিহাসিক ও দার্শনিক অর্থ। আধুনিক যুগের মানুষের নতুন চিন্তাধারার উৎস হল এই ‘হিউম্যানিজম্’।… 

পারভেজ আলম

সাকিনা

গি দেবখ (Guy Debord) সোসাইটি অব দ্যা স্পেক্টাকল  প্রকাশ করেছিলেন

save
Please login to bookmark Close
save
Please login to bookmark Close
Scroll to Top

Explore Categorys

Explore pages